পাঠানটুলা দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী আয়োজনের এই মহতী উদ্যোগকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। একটি বিদ্যালয় শুধু শিক্ষার স্থান নয়, এটি একজন মানুষের স্বপ্ন, শেকড়, বন্ধুত্ব ও জীবনের সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতির অংশ। দীর্ঘ সময় পর বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা একত্রিত হওয়ার এই আয়োজন নিঃসন্দেহে আনন্দ, আবেগ ও সৌহার্দ্যের এক অনন্য মিলনমেলা হয়ে উঠবে। আমাদের এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে অসংখ্য শিক্ষার্থী দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সুনামের সাথে অবদান রেখে চলেছেন। তাদের এই সাফল্য বিদ্যালয়ের গর্ব। পুনর্মিলনীর মাধ্যমে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে এবং নতুন প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হবে বলেই আমি বিশ্বাস করি।
আমি আশা করি, এই আয়োজন বিদ্যালয়ের অতীত ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রার মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন তৈরি করবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান সফল ও স্মরণীয় হয়ে উঠুক—এই কামনা করি।
সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থী, আয়োজকবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।
এই আয়োজন শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের সবার আবেগ, ভালোবাসা ও স্মৃতির এক মহামিলন। বিদ্যালয় জীবনের অসংখ্য স্মৃতি, বন্ধুদের সঙ্গে কাটানো সময় এবং শিক্ষকদের স্নেহ ও দিকনির্দেশনা আজও আমাদের হৃদয়ে গভীরভাবে গেঁথে আছে। সেই স্মৃতিগুলোকে আবারও প্রাণবন্ত করে তুলতেই আমাদের এই প্রয়াস। দীর্ঘদিন পর বিভিন্ন ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের একত্রিত হওয়ার এই সুযোগ পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে এবং বিদ্যালয়ের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাকে নতুনভাবে জাগ্রত করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
এই পুনর্মিলনী সফল করার লক্ষ্যে আয়োজক কমিটির সকল সদস্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আমি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি বিদ্যালয়ের সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ, প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও সকল সহযোগীদের প্রতি, যাদের সমর্থন ও অংশগ্রহণ ছাড়া এ আয়োজন সফল করা সম্ভব হতো না। আশা করি, সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান হয়ে উঠবে আনন্দমুখর, সুশৃঙ্খল ও স্মরণীয়। সকলের জন্য রইলো আন্তরিক শুভকামনা।